ডেভিডের তারা (Star of David) মহাশূন্যের অসীমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
যেসব ভিনগ্রহবাসী পরীক্ষাগারে মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন বলে রায়েলিয়ানরা বিশ্বাস করে, তারা দেখিয়েছেন যে অসীম ক্ষুদ্র এবং অসীম বৃহৎ—উভয়েরই একই গঠন রয়েছে।
আমাদের হাতের পরমাণুগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ছায়াপথ রয়েছে, আর সেই ছায়াপথগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র গ্রহ এবং ক্ষুদ্র মানবসভ্যতা রয়েছে।
এবং আমাদের নিজস্ব ছায়াপথও একটি বিশাল পরমাণুর ক্ষুদ্র কণামাত্র, যা আবার আরও বৃহত্তর এক জগতের অংশ—এভাবে অনন্তকাল পর্যন্ত চলতে থাকে।
“উপরে যেমন, নিচেও তেমন।”
মধ্যবর্তী স্বস্তিকা (Swastika) সময়ের অসীমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
মহাবিশ্বের সবকিছুই অবিরাম রূপান্তরের মধ্যে রয়েছে।
স্থান ও সময়ের কোনো শুরু বা শেষ নেই, কারণ সবকিছুই সব স্তরে চক্রাকার।
“কিছুই সৃষ্টি হয় না, কিছুই হারিয়ে যায় না; সবকিছুই ক্রমাগত রূপান্তরিত হয়।”
















